Directorate General of Food (Dgfood) Exam Date 2020

Govt Jobs Exam date

Directorate General of Food (Dgfood) Exam Date will publish soon. Dgfood Exam Date, Dgfood SI Exam Date, Directorate General of Food (Dgfood) Sub Inspector Exam Date, Directorate General of Food Exam Date, www.dgfood.gov.bd exam date, Dgfood Exam Schedule 2020, www.dgfood.gov.bd, Dgfood Exam Date 2018 are search option to get information of Directorate General of Food (Dgfood) Exam Date. We publish different educational post in our website. Exam date publishing is one of the most important concern of our website. Directorate General of Food (Dgfood) has been published job circular recently on different categorizes post. It’s a lucrative job circular and it’s great chance to get job for job seeker. This job is perfect to build up a significant career. Those, who want to work, they should be taken out of this opportunity. Directorate General of Food (Dgfood) is a renowned Government institute in Bangladesh.

Directorate General of Food (Dgfood) Exam Date:

Exam Type: MCQ

Post Name: Sub Inspector of Food

Vacancy was: 250

Exam Type: MCQ/Written + Viva

MCQ/Written- 100 Marks, Viva-10 Marks

Total Marks-110

Written Question Pass Marks- 50%

update news: 

 

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা । শেষ সময়ের প্রস্তুতি

► ১১৬৬ পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৪ লাখ প্রার্থী।
► বাছাই পরীক্ষা হবে ২০ মার্চ থেকে।
► প্রতি সপ্তাহে ৪টি বা ১০টি পদের জন্য বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা । শেষ সময়ের প্রস্তুতি
অ- অ অ+

খাদ্য অধিদপ্তরের অধীন নন-গেজেটেড ২৪টি ক্যাটাগরির ১১৬৬টি শূন্য পদের জন্য ২০১৮ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আগামী এক মাস (সম্ভাব্য) পর থেকে বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষা ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ের মধ্যে কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়—সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে প্রস্তুতির কৌশল নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

►  নিয়োগপদ্ধতি : খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মামুন আল মোরশেদ বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরে ২৪টি ক্যাটাগরির ১১৬৬টি শূন্য পদের বিপরীতে প্রায় ১৪ লাখ আবেদন পড়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটি ২০ মার্চ ২০২০ তারিখ থেকে বাছাই পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিভিন্ন কারণে সময় বাড়তে পারে। পদভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথম দিকে কারিগরি পদগুলোর পরীক্ষা নেওয়া হবে। তারপর ধাপে ধাপে অন্য পদগুলোর পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহে ৪টি বা ১০টি পদের জন্য বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যেসব পদের পরীক্ষার্থী বেশি, সেসব পদের জন্য প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি অর্থাৎ এমসিকিউ পরীক্ষা দিতে হবে, তারপর লিখিত পরীক্ষা, ক্ষেত্রবিশেষে ব্যাবহারিক পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর যেসব পদের বিপরীতে প্রার্থী তুলনামূলক কম, সেসব পদের জন্য সরাসরি লিখিত পরীক্ষা অথবা ব্যাবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর সব পদের জন্যই সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সব আপডেট খাদ্য অধিদপ্তর, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। এ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ, কেন্দ্র ইত্যাদি প্রার্থীদের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

►  বিগত সালের প্রশ্ন দেখি : যেকোনো পরীক্ষার কার্যকর প্রস্তুতির জন্য বিগত সালের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করা জরুরি। বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন সম্পর্কে জানা যায়। আর পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ধরন সম্পর্কে যত ভালো জানা যাবে প্রস্তুতি নিতে তত সহজ হবে। কৌশলী হওয়া যাবে।

 

►  নিজের সাজেশন নিজে করি : বিগত সালের প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করার পর বোঝা যাবে, কোন পদের জন্য কোন কোন সাবজেক্ট থেকে প্রশ্ন আসে। কোন কোন টপিকস থেকে প্রশ্ন নিয়মিত আসে, সেগুলো নির্ধারণ করে নোট খাতায় লিখে ফেলতে হবে। তারপর টপিক ধরে ধরে প্রস্তুতি নিতে হবে। নিজের প্রস্তুতির জন্য সাজেশন বা গাইডলাইন নিজে তৈরি করলে সেটা উত্তম গাইডলাইন হতে পারে। আর সে গাইডলাইন অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে।

 

►  কম্পিউটারে দক্ষতা বাড়াই : অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ বেশ কয়েকটি পদের জন্য কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা যাচাই করা হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি এ ধরনের পদের প্রার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে আজ থেকেই কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতায় জোর দিন। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হলেও কম্পিউটারে বাংলা ও ইংরেজি টাইপ করুন। এসব পদের জন্য টাইপিং দক্ষতা অবশ্যই লাগবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেলের দক্ষতা প্রয়োজন হয়। আজ থেকেই এসব দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কাজে নেমে পড়ুন। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেলের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ইউটিউবে বেশ ভালো ভালো ভিডিও টিউটরিয়াল আছে, সেগুলো দেখে দেখে শিখতে পারেন। এ ছাড়া বাজারে ভালো মানের বেশ কিছু বইও আছে, তাই বইয়ের সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে।

 

►  গণিতচর্চা প্রতিদিন হোক : গণিতে দক্ষ হওয়ার জন্য নিয়মিত বুঝে বুঝে অনুশীলন করার কোনো বিকল্প নেই। যাঁদের গণিতে দক্ষতা কম, তাঁরা সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির বোর্ডের গণিত বইটা অনুশীলন করতে পারেন। এ ছাড়া বাজারের প্রচলিত গাইড বই থেকে প্রথমে সহজ টপিক, তারপর ধীরে ধীরে কঠিন টপিকের গণিতগুলো অনুশীলন করা যেতে পারে। নিয়মিত গণিত অনুশীলন করলে গণিতভীতি কেটে যাবে। আর যাঁরা গণিতে একটু বেশি দুর্বল, তাঁদের জন্য গণিতে এই এক বা দেড় মাসে পুরোপুরি দক্ষ হয়ে ওঠা কষ্টকর হবে। এ জন্য গণিত নিয়মিত অনুশীলন করে অন্যান্য বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। তবে গণিত বাদও দেওয়া যাবে না। কেননা এখন গণিতচর্চা করলে এ পরীক্ষা না হলেও সামনের অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় কাজে দেবে।

 

►  ইংরেজিকে অবহেলা নয় : অনেকেই আছেন, যাঁরা ইংরেজিকে ‘যমের মতো’ ভয় পান! তাঁরা যদি এ পরীক্ষায় ইংরেজিকে পাশ কাটিয়ে সফল হতে চান, তাহলে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে। এ জন্য ইংরেজিকে অবহেলা না করে প্রতিদিন অল্প হলেও ইংরেজি পড়ুন। বিগত সালের বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো সমাধান করুন। নিয়মিত গ্রামারের রুলসের সঙ্গে বিগত সালের প্রশ্নগুলো অনুশীলন করুন। আর বেশি গুরুত্ব দিয়ে পড়ুন মেমোরাইজিং আইটেমগুলো (যে টপিকগুলো মুখস্থ করতে হয়)। যেমন—Synonym, Antonym, Group verb, Idioms and phrases ইত্যাদি। মেমোরাইজিং টপিকগুলোতে পরীক্ষায় নম্বর পাওয়া তুলনামূলক সহজ। কেননা কয়েকটি টপিক থেকেই নিয়মিত প্রশ্ন আসে। আর এটা মুখস্থ থাকলেই পারা যায়।

 

►  সাধারণ জ্ঞান অসাধারণ নয় : সাধারণ জ্ঞান বিষয়টা সাধারণই। নিয়মিত পত্রিকা মনোযোগ দিয়ে পড়লে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ শুনলে সাধারণ জ্ঞানের অনেকটা প্রস্তুতি হয়ে যায়। এ ছাড়া বাজারের প্রচলিত ভালো মানের একটি গাইড বই থেকে স্থায়ী সাধারণ জ্ঞানের বিষয়গুলো পড়া যেতে পারে। বর্তমান সময়ের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—সাম্প্রতিক ঘটনা বা তথ্যের চেয়ে স্থায়ী বা গতানুগতিক সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নই পরীক্ষায় বেশি আসে। এ বছর মুজিববর্ষ, তাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষা হওয়ায় ‘খাদ্য’ নিয়ে কাজ করে এমন বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রশ্ন আসাটা খুব স্বাভাবিক।

 

►  বেশি নম্বর পেতে কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি : নিয়োগ পরীক্ষায় বেশি নম্বর তুলতে হলে কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তির প্রস্তুতিতে বেশি জোর দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য বাজারের ভালো মানের একটি বা দুটি প্রস্তুতিমূলক বই আর দৈনিক পত্রিকাই যথেষ্ট। কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তিতে যাঁদের প্রস্তুতি তুলনামূলক কম, তাঁরা বিগত সালের প্রশ্নগুলো বেশি বেশি অনুশীলন করতে পারেন। তারপর বাজারের ভালো মানের একটা গাইড বই থেকে টপিক ধরে ধরে প্রস্তুতি নিন। এক মাসে কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তিতে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

 

►  নিজেই নিজের পরীক্ষক হোন : বাসায় বসে ঘড়ি ধরে প্রতিদিন একটি করে মডেল টেস্ট দিন। হয়ে যান নিজেই নিজের পরীক্ষক! নিজের লেখা উত্তর নিজেই মূল্যায়ন করুন। মডেল টেস্ট দেওয়ার সুবিধা হলো, আপনার প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা হবে; অন্যদিকে পরীক্ষার হলের সময়-ব্যবস্থাপনাও আয়ত্তে চলে আসবে। বাজারে চাকরির প্রস্তুতির মডেল টেস্টের বই পাওয়া যায়।

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী প্রতিষ্ঠান খাদ্য অধিদফতরে চলছে জনবল সংকট। বর্তমানে অনুমোদিত পদের এক-তৃতীয়াংশই শূন্য। এসব পদ পূরণে খাদ্য উপপরিদর্শক ও সহকারী উপপরিদর্শকসহ ২৪ ক্যাটাগরির এক হাজার ১৬৬টি পদে লোকবল নিয়োগ দেবে খাদ্য অধিদফতর।

আর এসব পদের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯২৩টি। অর্থাৎ তৃতীয় শ্রেণীর এসব চাকরি পেতে প্রতিটি পদের জন্য লড়বেন এক হাজার ১৮২ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) মাধ্যমে এসব লোক নিয়োগের পরীক্ষা নেয়া হবে। এজন্য খরচ হবে প্রায় ২৮ কোটি টাকা।

এ প্রসঙ্গে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আরিফুর রহমান অপু যুগান্তরকে বলেন, বিশাল এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নিতে অনেক প্রতিষ্ঠানই অনীহা জানিয়েছে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমরা ঢাবির এমআইএসের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মৌখিক পরীক্ষা খাদ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর নেবে। খরচ বেশি হওয়ায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে। তাদের সম্মতি পেলেই নিয়োগ পরীক্ষা হবে। এটি দ্রুতই বাস্তবায়ন হলে খাদ্য অদিফতরের জনবল সংকট কিছুটা হলেও দূর হবে। কাজে গতি আসবে।

সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদফতরের অনুমোদিত ১৩ হাজার ৬৭৬টি পদের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর ৮৯৩টি। এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তার ২৩৫টি পদের বিপরীতে আছেন ১০২ জন এবং নন-ক্যাডার ৬৫৭টি পদের বিপরীতে রয়েছেন ৫৭৭ জন। দ্বিতীয় শ্রেণীর ১ হাজার ৭৫৭টি পদের মধ্যে ৭৮৯টি পদই শূন্য। আর তৃতীয় শ্রেণীর ৫ হাজার ৪১৬টি পদের মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি পদ খালি। চতুর্থ শ্রেণীর ৫ হাজার ৬১০টি পদের মধ্যে ৮৯৬টি পদ শূন্য। সব মিলে চার হাজার ৬১৪টি পদই শূন্য।

খাদ্য অধিদফতরের পরিচালক পর্যায়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩১টিতেই ডিসি ফুডের পদ শূন্য। আর সব মিলে অধিদফতরের অনুমোদিত জনবলের এক-তৃতীয়াংশ পদই শূন্য। ফলে খাদ্য বিতরণ, সংগ্রহ, মনিটরিংসহ সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তায় হুমকি তৈরি করেছে।

জানা গেছে, খাদ্য উপপরিদর্শক ২৫০টি পদের জন্য আবেদন করেছেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৯৬ জন, অর্থাৎ প্রতি পদের জন্য লড়তে হবে এক হাজার ৬৪৭ জনকে। একইভাবে সহকারী খাদ্য উপপরিদর্শকের ২৭৪টি পদে আবেদন করেছেন ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫২ জন, অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে প্রতি পদের জন্য লড়তে হবে দুই হাজার ৩১৩ জনকে। অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার টাইপিস্টের ৪০২টি পদের জন্য আবেদন করেছেন দুই লাখ ২৪ হাজার ৬৩০ জন।

এখানে প্রতি পদের জন্য প্রার্থী ৫৫৮ জন। এছাড়া স্টেনোগ্রাফার-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের ৮টি পদের জন্য এক হাজার ৮৩৩টি, স্টেনোটাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের ১৫টি পদের জন্য দুই হাজার ৪৩৪টি, আপার ডিভিশন অ্যাসিসটেন্টের ৩১টি পদের জন্য ৪২ হাজার ৬০৪টি, ১৬টি অডিটর পদের জন্য ২৫ হাজার ৫৩৯টি, অ্যাকাউনট্যান্ট-কাম-ক্যাশিয়ারের ৬টি পদের জন্য তিন হাজার ৮০৬টি, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ানের দুটি পদের জন্য ৪১৮টি, ফোরম্যান একটি পদের জন্য ৩০৭টি, দুটি মেকানিক্যাল ফোরম্যানের জন্য ২৭১টি, অপারেটরের ২০টি পদের জন্য ৩০৬টি, ইলেকট্রিশিয়ানের ৯টি পদের জন্য এক হাজার ১৯৫টি, ভেহিকল ইলেকট্রিশিয়ানের একটি পদের জন্য ১৭টি, তিনটি সহকারী ফোরম্যানের জন্য ৮৯টি, ৮টি ল্যাব সহকারীর পদের জন্য দুই হাজার ৮০৭টি এবং ২৭টি স্প্রেম্যানের পদের জন্য ২৪ হাজার ৬৭৫টি আবেদন পড়েছে।

 

প্রসঙ্গত, এতদিন খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৫-এর আওতায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হতো। সুপ্রিমকোর্টের রায়ে সংবিধান (পঞ্চম সংশোধন) আইন, ১৯৭৯ এবং সংবিধান (সপ্তম সংশোধন) আইন, ১৯৮৬ বাতিল হওয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল এবং ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত জারি করা নিয়োগ ও অন্য বিধিমালা অকার্যকর হয়ে যায়। এর মধ্যে খাদ্য অধিদফতরের নিয়োগ বিধিটিও ছিল। এ কারণে নিয়োগ আটকে যায়। এর পর নতুন নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করে সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় খাদ্য অধিদফতর। সূত্রঃ যুগান্তর